বাগে জান্নাত পরিচিতি

শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড তবে!

কোনো জাতির আর্থ সামাজিক, রাজনৈতিক সমস্যা সমাধানের প্রধান অবলম্বন শিক্ষা এবং শিক্ষাই তার লালিত আকিদা, বিশ্বাস ও জীবনবোধের দর্পণ, আদর্শ সমাজ গঠনের মূলমন্ত্র। জাতির মেরুদন্ড। যে জাতি যত বেশি শিক্ষিত সে জাতি তত বেশি উন্নত। শিক্ষাই মানুষকে অন্ধকার থেকে আলোর দিকে পরিচালিত করে। প্রকৃত মনুষ্যত্ব ও আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। তবে অবশ্যই সে শিক্ষা হতে হবে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আদর্শ শিক্ষা। কেননা শুধু জাগতিক শিক্ষা আমাদের ভালো কেরানি ও সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী এক কথায় পুঁজিবাদের ভালো সেবক হওয়া শেখায়। যেন জীবনে চাকরিগিরির ক্যারিয়ারই সব। টাকা কামানোই একমাত্র উদ্দেশ্য। ভেবে দেখুন! চাকরি যেমন আমাদের জীবনে একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, বিয়েও কি একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না? সন্তান জন্ম দেওয়া ও লালন-পালন করাও জীবনের একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয় কী? জাগতিক শিক্ষা যদি ভবিষ্যত জীবনের জন্য আমাদের গড়ে তোলা’রই দাবি করে, তবে ভালো চাকুরির সাথে ভালো মা-বাবা, ভালো স্বামী-স্ত্রী, ভালো সন্তান ও ভালো মানুষ হবার সিলেবাস কোথায়? তার মানে; ওরা আপনার সুন্দর জীবন চায় না, চায় শুধু আপনার সুন্দর সার্ভিসটুকু। প্রয়োজন ফুরালে ছুড়ে ফেলে দেবে-ব্যস! ওদের কিচ্ছু যায় আসে না যে, আপনার ছেলে প্রকৃত মানুষ হলো কি না! আপনার ডিভোর্সে ওদের কিচ্ছু আসে যায় না। আপনি আপনার বৃদ্ধা মা-বাবাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠালেও ওরা দেখবে না। স্রেফ আপনার সার্ভিস নেবার জন্যই এতো আয়োজন-এতোকিছু।

প্রকৃত শিক্ষা মানুষকে সৃষ্টিকর্তা চেনায়....

অথচ আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে তাদের সৃষ্টির রহস্য জানতে পারে এবং তাদের সৃষ্টিকর্তাকে চিনতে পারে, জানতে পারে এমন শিক্ষা অর্জন করার জন্য বলেছেন, আল্লাহ তাআলা বলেন-

পড় তোমার প্রতিপালকের নামে, যিনি (সব কিছু) সৃষ্টি করেছেন। তিনি মানুষকে সৃষ্টি করেছেন জমাট রক্ত দ্বারা। পড় এবং তোমার প্রতিপালক সর্বাপেক্ষা বেশি মহানুভব। যিনি কলম দ্বারা শিক্ষা দিয়েছেন। মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন, যা সে জানত না। সুরা আলাক, আয়াত ১-৫।

মনে রাখবেন! যে শিক্ষা নিজেকে ও নিজের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহকে চেনাতে পারে না, দ্বীন বুঝতে দেয় না, কুফরি-কালচার জীবনযাত্রার দিকে আকৃষ্ট করে, এমনকি নিজের জীবনের অস্তিত্ব/মূল রহস্যই উন্মোচন করতে ব্যর্থ হয়। আমি মুসলিম হিসেবে স্বাভাবিকভাবেই শুধু সে শিক্ষার উপর ভরসা করতে পারি না। প্রকৃত মনুষ্যত্ববোধ ও আদর্শ সমাজগঠনে এবং মানুষের ইহকাল ও পরকালীন জীবনে সফলতা অর্জনে কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আদর্শ শিক্ষার বিকল্প নেই।

মাদরাসা ই বাগে জান্নাতের সুচনা....

তাই কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক আদর্শ শিক্ষার আলোকে সমাজের প্রতিটি মানুষকে প্রকৃত মনুষ্যত্ব উপহার দেয়ার লক্ষ্যে, আদর্শ সমাজ বিনির্মাণে, মানুষের ইহকাল ও পরকালীন জীবনে সফলতা অর্জনে সকল শ্রেণী-পেশার সববয়সী মুসলমানদেরকে বিশুদ্ধ কুরআনে কারীম তিলাওয়াতে যোগ্য করে তোলার পাশাপাশি বিশুদ্ধ আকিদায় (ধর্ম বিশ্বাসে) বিশ্বাসী, নিত্যপ্রয়োজনীয় মাসআলা-মাসাইল ও দু‘আ-দূরূদ এবং ইসলামী শিষ্টাচার শিক্ষাদানের মাধ্যমে প্রকৃত আল্লাহভীরু, সমাজসেবী, সভ্য ও সৎ মানুষ এবং আদর্শবান ব্যক্তিত্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এক মানসম্পন্ন বয়স্ক দ্বীনি শিক্ষা কারিকলাম নিয়ে “মাদরাসা ই বাগে জান্নাত (বয়স্কদের দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র)”-এর সুচনা।
দেশের শীর্ষ আলেমগণের সুদৃষ্টি ও পরামর্শে বিশেষ করে মাওলানা ফরিদুজ্জামান দা. বা.-এর পরামর্শে তারই সন্তান মাওলানা মাশহুদ ফরিদী এলাকার কিছু দ্বীনপ্রিয় মুসলমানকে সঙ্গে নিয়ে ২০১২ ঈসায়ী সনের ১০ মে, রোজ রবিবার প্রতিষ্ঠা করেন এবং তারই পরিচালনায় নববী আদর্শে আদর্শবান, বিশেষ ট্রেনিংপ্রাপ্ত, সুদক্ষ একঝাঁক উস্তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে, অত্যন্ত সুনামের সাথে দুটি (জেনারেল ও কওমী) শাখায় চলমান (২০২৫) শিক্ষাবর্ষে প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থী শিক্ষা গ্রহণ করছে, আলহামদুলিল্লাহ। আর একটি মুসলিম পরিবারের সকল সদস্যদের দ্বীনি শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুটি শাখায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

১. জেনারেল শাখা....

বাংলাদেশের ৯০/৯২ ভাগ মানুষ মুসলমান, কিন্তু দুঃখের হলেও একথা সত্য যে, এদেশের মুসলমানদের শতকরা ১০ ভাগও এমন পাওয়া যাবে না, যারা পূর্ণ দ্বীনদারীর সাথে সম্পৃক্ত বা পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পাবন্দী করেন এবং সহীহ-শুদ্ধভাবে কুরআনে কারীম তিলাওয়াত করতে পারেন, এবং মুসলিম হিসেবে ফরযে আইন পরিমাণ শরীয়তে ইসলামের বুঝ রাখেন। বস্তুত আমাদের দেশের প্রায় ৯০ ভাগ মুসলমানই হালাল-হারাম, বৈধ-অবৈধ/জায়েয-নাজায়েয, ফরয-ওয়াজিব, সুন্নাত-মুস্তাহাব ইত্যাদি সম্পর্কে অবগত নয়।
অথচ ফরযে আইন পরিমাণ দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা প্রত্যেক মুসলমানের জন্য শ্রেষ্ঠ ফরয। কুরআন-সুন্নাহ, সীরাতে রাসূল, আকায়েদ-ঈমান, ইবাদাত, লেনদেন, ব্যবসা-বাণিজ্য, আচার-আচরণ, ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন, সামাজিক জীবন, আখলাক-চরিত্র, আত্মশুদ্ধি ইত্যাদি সকল অধ্যায়ের বুনিয়াদি ও দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োজনীয় বিষয়াদির ইলম অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নারী-পুরুষ, যুবক-বৃদ্ধ সবার উপরই ফরযে আইন, তিনি যে শ্রেণী-পেশারই হোন না কেন, যত ব্যস্তই থাকেন না কেন। অনেকের ধারণা, মাদরাসায় ভর্তি হয়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে পড়া-লেখার মাধ্যমেই কেবল দ্বীনের প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করা যায়। এই ধারণা ভুল, কেননা প্রত্যেক মুসলমান চাকরি-বাকরি, ব্যবসা-বাণিজ্য ও অন্যান্য ব্যস্ততার মাঝেও দ্বীনের প্রয়োজনীয় ইলম অর্জন করতে পারে। সাহাবায়ে কেরামের জীবন-ইতিহাস তার জ্বলন্ত প্রমাণ। এজন্য প্রত্যেক মুসলমান নর-নারী কিভাবে অতি সহজে প্রয়োজনীয় দ্বীনি ইলম অর্জন করতে পারে এবং বয়স্কদের দ্বীনি শিক্ষা আরো ব্যাপক করা যায় এবং প্রতিটি পাড়া-মহল্লায় কীভাবে “বয়স্ক মাদরাসা” প্রতিষ্ঠিত করা যায় সে চিন্তা-ফিকির নিয়েই “মাদরাসা ই বাগে জান্নাত (বয়স্কদের দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র)” প্রতিষ্ঠা করা হয়। জেনারেল শাখায় বয়স্ক ও বয়স্কাদের বিভিন্ন বিভাগে, বিভিন্ন পদ্ধতিতে ও বিভিন্ন সময়ে কুরআনে কারীম শিক্ষার পাশাপাশি দ্বীনের প্রয়োজনীয় বিষয়াদিও শিক্ষা দেওয়া হয়। এবং স্কুল পড়ুয়া বালক-বালিকাদেরও সাবাহী মকতবের আদলে কুরআনে কারীম শিক্ষার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দ্বীনি শিক্ষা দেওয়া হয়। আরো বিস্তারিত জানতে পড়ুন।

২. কওমী শাখা....

বয়স্কদের প্রয়োজনীয় দ্বীনি শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলার পাশাপাশি মুসলিম সন্তানদেরকে কুরআন-সুন্নাহ ভিত্তিক আদর্শ শিক্ষায় সুশিক্ষিত করা যেমন প্রয়োজন, তেমনই প্রয়োজন কুরআন-সুন্নাহের পয়গাম ও ইলমে দ্বীনের সঠিক আদর্শ পৃথিবীর প্রতিটি মানুষের কাছে পৌছে দেওয়া। এ সুমহান লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য ও সমাজের সর্বস্তরে যোগ্যতাসম্পন্ন এমন কিছু আল্লাহভীরু আলেমে দ্বীন তৈরী হয়, যারা ইখলাসের সাথে ইলমে দ্বীনের পথে নিজেরা চলবে ও জাতিকে চালাবে এবং ইসলামের সঠিক আদর্শ রক্ষায় সদা নিবেদিতপ্রাণ থাকবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দারুল উলূম দেওবন্দসহ বাংলাদেশের বড় বড় কওমী মাদরাসার সিলেবাসের সাথে মিল রেখে মাদরাসা ই বাগে জান্নাতে “কওমী শাখার” শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। যেখানে চলমান শিক্ষাবর্ষে নুরানী ১ম ও ২য় শ্রেণী, নাযিরা ও হিফয বিভাগ এবং মিযান জামাত পর্যন্ত কিতাব বিভাগ চালু রয়েছে, পর্যায়ক্রমে দাওরা হাদীস পর্যন্ত শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা পরিকল্পনাধীন রয়েছে। আরো বিস্তারিত জানতে পড়ুন।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য....

সমাজের সর্বস্তরের মুসলমানদেরকে বিশুদ্ধভাবে কুরআনে কারীমের তিলাওয়াত শিক্ষাদানের পাশাপাশি প্রয়োজনীয় দ্বীনি ইলম শিক্ষা দেয়ার মাধ্যমে তাদের সুরত ও সীরতে পরিবর্তন ঘটানো, তাদের ব্যক্তি জীবন, পারিবারিক জীবন ও সামাজিক জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্র নববী আদর্শে, আকাবির ও আসলাফের নমুনায় আলোকময় করে তোলার লক্ষ্যে ২০১২ ঈসায়ী সনে ছোট একটি ভাড়া রুমে ১জন শিক্ষক ও ১৫জন শিক্ষার্থী নিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করা হয়, বর্তমানে ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ৫.৭৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব জায়গা ও তাতে ৮ তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট নির্মাণাধীন ৪ তলা বিল্ডিং-এ ২৪জন শিক্ষক ও ৭০০জন শিক্ষার্থীর মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ। বয়স্ক দ্বীনি শিক্ষাকে সাড়া দেশে আরো ব্যাপক করার লক্ষ্যে বাংলাদেশের প্রতিটি পাড়ায়-মহল্লায় বয়স্ক দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র/মকতব গড়ে তোলার পাশাপাশি প্রত্যেক কওমী মাদরাসায় অন্যান্য বিভাগের মতো বয়স্কদের দ্বীন শেখানোর জন্য যেন একটি রুম ও শিক্ষক বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং মসজিদগুলোতে যেন ১০ মিনিটের মৌখিক দরস কায়েম করা হয় এই ফিকির নিয়ে মাদরাসা ই বাগে জান্নাত কাজ করে যাবে ইনশাআল্লাহ। একজন মুসলিম পরিবারের সকল সদস্যদের দ্বীনি শিক্ষা নিশ্চিত করার মাধ্যমে সে অনুযায়ী আমল করে আল্লাহ তাআলার সন্তুষ্টি অর্জন করা যায় এমন ফিকির নিয়ে সদা কাজ করে যাবে, ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ! এই প্রতিষ্ঠান, মেহনত ও ফিকিরকে আপনার জন্য কবুল করুন, আমীন।

অবস্থান ও যাতায়াত....

বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেরাণীগঞ্জ মডেল থানাধীন জিনজিরা, যা পুরান ঢাকার চকবাজার ও চকসোয়ারীঘাট এলাকার বিপরীত নদীর ওপারে অবস্থিত। জিনজিরা বাসরোড সাবেক বেবীস্টান্ডের পাশে লছমনগঞ্জ জামে মসজিদের রিপরীত মেইনরোডে রাণী প্লাজার সাথেই মাদরাসার গলি, সেই গলির ভিতরে আনুমানিক ২৫/৩০ গজ ভিতরে নিজস্ব ভবনে মাদরাসা ই বাগে জান্নাতের অবস্থান।
ঢাকার ভিতর গুলিস্তান হয়ে আসলে, গুলিস্তান থেকে লেগুনা/বাস/রিক্সাযোগে বাবুবাজার ব্রীজ পার হয়ে কদমতলী চৌরাস্তা, কদমতলী থেকে অটোযোগে/পায়ে হেটে জিনজিরা। পুরান ঢাকার দিক থেকে আসলে, চকসোয়ারীঘাট থেকে নৌকাযোগে নদী পার হয়ে জিনজিরা। পদ্মা ব্রীজ হয়ে আসলে, আব্দুল্লাহপুর-রাজেন্দ্রপুর পার হয়ে বাবুবাজার রোডে কিছুদুর আসলেই বাবুবাজার ব্রীজের আগেই কদমতলী, কদমতলী থেকে অটো/পায়ে হেটে জিনজিরা। প্রয়োজনে গুগল ম্যাপ বা মোবাইল : ০১৯১৫৬৯৬৯৯০।

এক নযরে মাদরাসা ই বাগে জান্নাত....

মাদরাসার পূর্ণ  নাম :
মাদরাসার সংক্ষিপ্ত নাম :
প্রতিষ্ঠাকাল :
প্রতিষ্ঠাতা :
উদ্বোধনী সবক :
উদ্বোধনী ক্লাস ও দুআ :
প্রথম শিক্ষা কার্যক্রম :
প্রথম শিক্ষক :
প্রথম শিক্ষার্থী :
বর্তমান (২০২৫) শিক্ষা কার্যক্রম :
বর্তমান শিক্ষক ও ষ্টাফ :
বর্তমান শিক্ষার্থী :

মাদরাসা ই বাগে জান্নাত (বয়স্কদের দ্বীনি শিক্ষাকেন্দ্র)।
বাগে জান্নাত।
১০ মে, ২০১২ ঈসায়ী। রোজ রবিবার, বাদ মাগরিব।
হাফেয মাওলানা মাশহুদ ফরিদী।
হযরত মাওলানা ফরিদুজ্জামান দা. বা.।
হযরত মাওলানা আব্দুল মাজিদ দা. বা. (লাখিরচরের হুজুর)।
১টি পুরাতন ছোট ভাড়া রুমে, বয়স্কদের বিশুদ্ধভাবে কুরআনে কারীম শিক্ষাদান।
১জন, মাওলানা মাশহুদ ফরিদী।
উদ্বোধনী ক্লাসে শিক্ষার্থী ১৫জন, উদ্বোধনী শিক্ষাবর্ষে মোট শিক্ষার্থী ৪৯ জন।
৫.৭৫ শতাংশ নিজস্ব জায়গায় ৪তলা ভবনে, জেনারেল ও কওমী দুটি শাখায় শিক্ষা কার্যক্রম চলমান।
শিক্ষক ১৬জন, শিক্ষিকা ৫জন, বাবুর্চী, দারোয়ান, খাদেম ১জন করে, সর্বমোট = ২৪জন।
বর্তমান (২০২৫) শিক্ষাবর্ষে দুটি শাখায় ৭০০ শিক্ষার্থী দ্বীনি শিক্ষা গ্রহণ করছে।

উদ্বোধনী শিক্ষার্থীদের তালিকা....

১. মুহাঃ নাসির হোসেন।
২. মুহাঃ হাসান আলী রুবেল।
৩. মুহাঃ দিল মোহাম্মাদ দেলোয়ার।
৪. মুহাঃ আরিফুর রহমান আরিফ।

৫. মুহাঃ সালাহ উদ্দিন।

৬. মুহাঃ বাদল মিয়া (মৃত)।
৭. মুহাঃ আব্দুল ওয়াহহাব শাহিন।
৮. মুহাঃ আব্দুর রহমান।
৯. মুহাঃ সালমান আলী।
১০. মুহাঃ গোলাম মহিউদ্দিন সিয়াম।

১১. মুহাঃ বেল্লাল হোসেন।
১২. মুহাঃ বোরহান উদ্দিন।
১৩. মুহাঃ তায়েফ সুলতান।
১৪. মুহাঃ সামছুর রহমান।
১৫. মুহাঃ আব্দুর রহিম মিঠু।

উদ্বোধনী শিক্ষাবর্ষের বাকি শিক্ষার্থীদের তালিকা....

১৬. মুহাঃ রায়হান উল্লাহ।

১৭. মুহাঃ আলাউদ্দিন।

১৮. মুহাঃ আব্দুর রাজ্জাক।

১৯. মুহাঃ জাবেদ ইকবাল।

২০. মুহাঃ আহাম্মদ হোসেন।

২১. মুহাঃ এস এম তারেক সুলতান।

২২. মুহাঃ নসরুল্লাহ দিপু।

২৩. মুহাঃ লুৎফর রহমান।

২৪. মুহাঃ সাগীর আলী।

২৫. মুহাঃ নিশাদ।

২৬. মুহাঃ শাহীন রহমান।

২৭. মুহাঃ নয়ন মিয়া।

২৮. মুহাঃ পারভেজ হোসেন।

২৯. মুহাঃ আল আমিন।

৩০. মুহাঃ রাকিব হোসেন।

৩১. মুহাঃ জাহিদ হোসেন।

৩২. মুহাঃ খলিলুর রহমান।

৩৩. মুহাঃ রাজিব হোসেন।

৩৪. মুহাঃ আরিফ হোসেন সজিব।

৩৫. মুহাঃ মাসুদ রানা।

৩৬. মুহাঃ ইব্রাহীম।

৩৭. মুহাঃ ইয়াছিন।

৩৮. মুহাঃ আবুল হোসেন।

৩৯. মুহাঃ ইয়াকুব আলী।

৪০. মুহাঃ মুস্তাফিজুর রহমান সোহাগ।

৪১. মুহাঃ জুনায়েত হাসান জুয়েল।

৪২. মুহাঃ মিজান।

৪৩. মুহাঃ সেলিম মুন্সী।

৪৪. মুহাঃ কামরুল হাসান।

৪৫. মুহাঃ আজিম হোসেন।

৪৬. মুহাঃ আমিমুল ইহসান।

৪৭. মুহাঃ আল আমিন খান।

৪৮. মুহাঃ শামসুদ্দিন।

৪৯. মুহাঃ জহির উদ্দিন।